ছাত্রীকে নিয়ে উধাও ইংরেজির শিক্ষক, তোলপাড়

স্টাফ রিপোর্টার | ০৬ মে ২০১৮: বাঘায় ছাত্রীকে নিয়ে উধাও হয়ে গেছেন ইংরেজি বিভাগের এক শিক্ষক। এনিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। একই স্কুলের দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে নিয়ে উধাও হয়েছেন তিনি। এঘটনায় শনিবার শিক্ষক জাকির হোসেন জুয়েলের স্থায়ী অপসারনের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন স্কুলের শিক্ষার্থী, অভিভাবক এলাকাবাসী। পরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্ত সাপেক্ষে শিক্ষকের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেয়া হয়।

জানা যায়, বাঘা উপজেলার মীরগঞ্জ মুছার ঈদগা বাজার এম এইচ বালিকা বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রীকে নিয়ে একই স্কুলের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক জাকির হোসেন সোমবার (৩০ এপ্রিল) প্রেমের টানে পালিয়ে যান। ওই ঘটনা জানাজানি হলে এলাকার লোকজন উত্তেজিত হয়ে উঠেন। তাৎক্ষনিক ঘটনাটি নিয়ন্ত্রন করার জন্য স্কুল পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে শিক্ষক জাকির হোসেন জুয়েলকে বহিস্কার করা হবে বলে আশ্বাস দেন প্রধান শিক্ষক।
কিন্তু তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়ায় শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন করেন।

মীরগঞ্জ বাজারে ঘন্টা ব্যাপি আয়োজিত মানববন্ধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল মালেক, শিক্ষার্থীর অভিভাবক প্রদীপ কুমার, নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী শিখা খাতুন, তাহমিনা খাতুন, দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী জেরিনা আক্তার, সালমা খাতুন প্রমুখ। এই মানববন্ধনে শিক্ষক জাকির হোসেন জুয়েলকে স্থায়ীভাবে স্কুল থেকে বহিস্কার করা দাবি করা হয়। শিক্ষক জাকির হোসেন জুয়েল চারঘাট উপজেলার কালুহাটি গ্রামের হাসেম মাষ্টারের ছেলে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল মালেক বলেন, ঘটনাটি জানার পর তাৎক্ষনিক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিন রেজা ও শিক্ষা কর্মকর্তা আরিফুর রহমানকে জানানো হয়। শিক্ষক জাকির হোসেন জুয়েলকে স্কুলে না আসার জন্য বলে দেওয়া হয়েছে।
ক্যাম্পাসলাইভ২৪

ঘরে ঢুকে ওড়নায় মুখ বেঁধে ছাত্রীকে গণধর্ষণ!
এবার ঘরে ঢুকে ওড়নায় মুখ বেঁধে এক ছাত্রীর সর্বনাশ করে দেয়া হয়েছে। দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে তাকে গণধর্ষণ করা হয়। নঝালকাঠি জেলার লছিটিতে এ ঘটনা ঘটে।

এ ব্যাপারে ওই ছাত্রীর বাবা নলছিটি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। পুলিশ অভিযোগটি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়েছেন।

জানা যায়, নলছিটি উপজেলার সরমহল গ্রামের তিন বখাটে সুজন তালুকদার (৩০), জুলহাস খান (২৫) ও সাব্বির হাওলাদার (১৯) বৃহস্পতিবার রাতে ওই ছাত্রীর ঘরের বেড়া ভেঙে ভেতরে ঢুকে।

এসময় ওই ছাত্রী চিৎকার দিতে চাইলে ওড়না দিয়ে তার মুখ বেঁধে ফেলে লম্পটরা। পরে পালাক্রমে তারা ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে চলে যায়।

ঘটনার সময় ওই ছাত্রীর বাবা মানপাশা বাজারে ছিলেন। মা ছিলেন বাবার বাড়িতে। এ সুযোগে ওই তিন লম্পট ছাত্রীটিকে গণধর্ষণ করে।

শুক্রবার বিষয়টি ওই ছাত্রীর বাবা স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মেয়ের বাাবাকে হুমকি দেয় ওই বখাটেরা। এ অবস্থায় শনিবার সকালে নলছিটি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন ওই ছাত্রীর বাবা।

নলছিটি থানার ওসি (তদন্ত) আবদুল হালিম তালুকদার অভিযোগটি পেয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*